Category Archives: Uncategorized

MyDokani SMS Is Sending a large number of SMS messages.Problem??

By default, Some device manufacturers will check to make sure you haven’t sent more than 30 SMS messages to anyone within a span of 30 minutes. However, we can manually change both of these values (the number of messages and the time frame) so that we aren’t bothered by Device’s default SMS limit restrictions.

First thing you need to do is Turn on the USB Debugging on your Android device.

On modern Android devices, you’ll find USB Debugging in the Developer Options menu, which is hidden by default.

To unlock it, head to Settings and scroll down to About phone. Scroll down again, and you’ll see a Build number entry at the bottom. Tap this several times, and you’ll see a notification letting you know that you’re now a developer.

Now jump back to Settings and scroll back down to the bottom where you accessed About phone. On Android Pie and later, you’ll need to open the System entry and expand the Advanced section. Here you’ll see a new entry titled Developer options. On older versions of Android, you’ll see the Developer options entry listed next to About phone instead.

Regardless, once you’re inside, look for USB debugging under the Debugging header. Hit the slider to enable it, and confirm Android’s warning that you understand what this feature is for.

You may need to install ADB driver from Dwonload before connecting your phone.

Now you’ve turned on USB Debugging. To use it, you just need to plug your phone into a PC using a USB cable. When you do this, you’ll see a prompt on your phone asking if you want to authorize USB Debugging for that specific computer. This is a security feature designed to keep your device safe from attack, so make sure you trust the computer before accepting this.

Now download the zip file from Dwonload and extract it anywhere on your Windows PC. After extracting it open the “increase-sms-limit” folder and double click on “increase-sms-limit.bat”. It should set your Android device SMS limit high enough to avoid the prompt.

This method is not guaranteed to work on every device. If it doesn’t work then there is nothing you can do about it.

SMS মার্কেটিংঃ সবচেয়ে কম খরচে কার্যকরী মার্কেটিং সমাধান

SMS মার্কেটিং ই-কমার্স বিজনেসের জন্য একটি কার্যকরী, আস্থাশীল ও সীমিত খরচের জন্য পরিচিত শক্তিশালী মার্কেটিং মাধ্যম। বাংলাদেশে ১০০ মিলিয়নের ও বেশি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে  ফলে এই মাধ্যমের রয়েছে একটি বিশাল অডিয়েন্স গ্রুপ।  

Pew Research Center বলছে ৯৭% স্মার্টফোন ব্যবহারকারী প্রতিদিন তার ফোনের মেসেজ ফিচারটি ব্যবহার করেন। আমেরিকায় একজন ব্যক্তি প্রতিদিন গড়ে ৪৭ বার তার ফোন চেক করে নতুন কিছু এসেছে কি না তা দেখার জন্য।

আরেকটি জরিপে দেখা গেছে একজন ব্যক্তি গড়ে প্রতিদিন ৪০ টিরও বেশি এসএমএস আদান প্রদান করে। এই মাধ্যম ব্যবহার করে সরাসরি কাস্টমারদের সামনে তথ্য উপস্থাপন করা যায়। যদিও সবার হাতে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট নেই তবুও বিশ্বে ৫ মিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন এসএমএস আদান প্রদান করে। 

৯০% এসএমএস  ৩ মিনিট সময়ের মধ্যে পড়ে ফেলা যায়, ওপেন রেট ইমেলের চেয়ে ৫ গুন বেশি। ইমেলের থেকে এসএমএস এর রেসপন্স রেট ২০৯% বেশি। খরচের দিক থেকে গতানুগতিক মার্কেটিং মিডিয়ার থেকে এসএমএস মার্কেটিং এর খরচ ১০ গুন কম। যার ফলে প্রায় ৮০% মানুষ তার বিজনেসে SMS মার্কেটিং ব্যবহার করে ।

এটি এতটাই কার্যকর যোগাযোগ মাধ্যম যে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে কাউকে এসএমএস সেন্ড করার ১ মিনিট বা তার অর্ধেক সময়ে তারা রেসপন্স করেছে। 

SMS মার্কেটিং কি?

বিজনেসের প্রোমোশনের জন্য টার্গেট কাস্টমারদের লক্ষ্য করে টেক্সট মেসেজ প্রেরন করাকেই এসএমএস মার্কেটিং বলে। বিজনেসের আপডেট, অফার, কুপন ইত্যাদি প্রদান করতে এসএমএস মার্কেটিং ব্যবহার করা হয়। তবে এর ব্যাপ্তি আরও বড় পরিসরে রয়েছে যদি এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।

বিনা কারনে মানুষের ইনবক্সে এসএমএস পাঠানো অপরাধ তাই এসএমএস পাবার জন্য অনুমতি বা এসএমএস না পেতে আনসাবস্ক্রাইব করার সুবিধা প্রদান করা জরুরী। 

বিজনেসের প্রচারে কেন SMS মার্কেটিং প্রয়োজন

এসএমএস ও ইমেইল প্রায় একই কাজ করে পার্থক্য শুধু টেক্সটের দৈর্ঘ্যে।

ইমেলের টেক্সট বড় আকারের হয় আর এসএমএস ছোট আকারের। এসএমএস সাথে সাথে ইনবক্সে আসে, পড়া সহজ ও পড়তে সময় কম প্রয়োজন। 

বর্তমানে প্রায় সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করে এবং অধিকাংশ সময় মানুষ স্মার্টফোনে কাটায়।

ফলে, তাদের ই কমার্স লিংক ভিজিট করাতে এটি কার্যকর ও সহজ। আবার যাদের স্মার্টফোন নেই তাদের কাছে বিজনেসের তথ্য পৌঁছে দিতে এটি একটি আদর্শ মাধ্যম। 

কাস্টমারদের এঙ্গেজ করতে এসএমএস দারুন, কাস্টমারদের কাছে প্রোডাক্টের তথ্য পৌঁছে দেবার মাধ্যমে তাদের কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নিতে এটি সহায়ক।

কেন বিজনেসে প্রচারে SMS মার্কেটিং বেছে নিবেন

কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করতে

অনেকে আপনার প্রোডাক্ট কেনাকাটা করলেও কম সংখ্যক কাস্টমার আপনার লয়াল হয়।

তাদের কেনাকাটা পরবর্তী সময়ে ধন্যবাদ এসএমএস, মানি রিসিপ্ট প্রদানের মাধ্যমে তাদের আস্থা অর্জনে এটি অত্যন্ত কার্যকর ভুমিকা রাখে।

একটি বড় কাস্টমার গ্রুপকে খুব কম খরচে এসএমএস মার্কেটিং দ্বারা এঙ্গেজ রাখার আদর্শ মাধ্যম এসএমএস। 

কাস্টমারদের সাথে নিরবিছিন্ন যোগাযোগ রাখতে

কাস্টমারদের কাছে প্রোডাক্ট বেচে দেবার পরেই আপনার কাজ শেষ হয়ে যায় না।

তাদের সাথে নিয়মিত বিরতিতে যোগাযোগ রক্ষা করা খুব জরুরী।

তা না হলে কাস্টমার ভাবে নেই আপনি তাদের থেকে শুধু বেচাকেনা ও মুনাফা করার জন্য যোগাযোগ করেন। 

কাজের অগ্রগতি জানানো 

কেনাকাটা পরবর্তী সময়ে এসএমএস এর মাধ্যমে অর্ডার কনফার্ম, ইনভয়েস প্রদান, ডেলিভারি আপডেট দেবার মাধ্যমে আপনি তার জন্য কাজ করছেন সেটি তাদের ভালো অনুভূতি প্রদান করে। এটি কাস্টমারকে লয়াল বানাতে বড় ভুমিকা রাখে। 

SMS মার্কেটিং এর মাধ্যমে কীভাবে বিজনেসে প্রফিট অর্জনে সাহায্য করে 

বিজ্ঞাপন

নতুন প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নিয়ে আসার পরে সেটির বিজ্ঞাপন করা খুব প্রয়োজন।

এসএমএস মার্কেটিং এই ক্ষেত্রে সফল ভুমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত এসএমএস এর মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা কাস্টমারদের কাছে প্রোডাক্টের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করে।ফলে সেল বেড়ে যায়।  

লিমিটেড টাইম অফার

কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইট খুঁজে অফার পাবার আগেই তাদের এসএমএস এর মাধ্যমে স্পেশাল অফার সম্পর্কে জানিয়ে দেবার মাধ্যমে উপযুক্ত কাস্টমারদের ই কমার্স সাইটে নিয়ে এসে তাদের কাছে সেল করা যায়।

কাস্টমার আপনার অফারে আগ্রহ প্রকাশ করেই আসছে মানে তাদের কেনাকাটার সম্ভবনা সব থেকে বেশি। 

বিজনেসের পরিচিতি

ইন্টারনেটে লক্ষ সাইটের মধ্যে আপনাকে খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর। একটি বিজনেস তাদের অনলাইন দৃশ্যমানতা বাড়াতে SEO  এর জন্য বড় অংকের খরচ করে সবার সার্চ ইঙ্গিনে সবার প্রথমে নিজেকে নিয়ে আসে।

কিন্তু এসএমএস মার্কেটিং দ্বারা সামান্য খরচে কাস্টমারকে আপনার সাইটে নিয়ে আসা সম্ভব।

আপনি সরাসরি কাস্টমারের ফোনের সামনের স্ক্রিনে  সামনে চলে আসতে পারেন।

কাস্টমার ফলোআপ

কাস্টমারদের একবার বলে কেনাকাটা করানো যায় না।

তাদের সাথে নিয়মিত ভাবে যুক্ত থাকার মাধ্যমে সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষা করতে হয়।

কাস্টমার প্রয়োজন বোধ করার সময়ে আপনাকে মনে করতে পারলেই তারা আপনার থেকে কেনাকাটা করবে। এই ক্ষেত্রে এসএমএস ভীষণ রকম সহায়ক মাধ্যম। 

স্পেশাল মুহূর্তে উইশ করতে

প্রিয় মুহূর্তে উইশ পেলে সবাই আনন্দিত হয়। এসএমএস দ্বারা একটি ব্র্যান্ড কাউকে উইশ করলে কাস্টমার খুশি হয়।

আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে তার ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী, বিশেষ উপলক্ষে তাদের উইশ করতে এসএমএস উপযুক্ত। 

SMS মার্কেটিং এর ৪ টি কার্যকরী ট্রিক্স

ভৌগলিক টার্গেটিং

দেশের ফোন নম্বরের জন্য কান্ট্রি কোড রয়েছে।

তাই আপনার বিজনেসের আন্তর্জাতিক কাস্টমার থাকলে তাদের টার্গেট করে এসএমএস মার্কেটিং করার সুবিধা পাবেন।

এসএমএস মার্কেটিং এর খরচ যেহেতু সীমিত তাই রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্ট বেশি হয়। 

সাইকো গ্রাফিক  টার্গেটিং

কাস্টমার কিছু নির্দিষ্ট সময়ে বেশি কেনাকাটা করে।

বিশেষ উপলক্ষ ও সপ্তাহের শেষে তাদের কেনাকাটার পরিমান বেশি হয়।

এ সময় তারা সেরা অফার খোঁজ করে আপনি তাদের সেই সময়গুলোতে এসএমএস মার্কেটিং করে কেনাকাটায় উৎসাহী করে তুলতে পারেন। 

ডেমোগ্রাফিক টার্গেটিং

কাদের কি তথ্য দিলে তারা গ্রহন করবে সেটি মার্কেটিং এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ধরুন, ৩০ ঊর্ধ্ব মেয়েদের যদি তারুণ্য ধরে রাখতে ক্রিম এর অ্যাড দেন তবে তারা সেটি গ্রহন করবে।

এসএমএস মার্কেটিং এ এই ক্যাটেগরি ট্যাগ করে মার্কেটিং করা সম্ভব। 

লজিকাল টার্গেটিং

কিছু কাস্টমার আর্লি এডাপ্টার কিছু লেট এডাপ্টার হয়।

আর্লি এডাপ্টার শ্রেণীর কাস্টমার গ্রুপ সবার প্রথমে একটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে পছন্দ করে।

আপনার কাছে কাস্টমারদের তথ্য থাকলে তাদের টার্গেট করে এসএমএস করলে ভালো ফলাফল পাবেন।  

 বাল্ক SMS কীভাবে বিজনেসকে সাহায্য করে

ট্রানজেকশনাল SMS

টার্গেট কাস্টমার দের প্রতিনিয়ত বিজনেসের আপডেট তথ্য জানানোর মাধ্যমে তাদের সাথে বিজনেসের যোগাযোগ রক্ষা করতে বাল্ক এসএমএস সাহায্য করে। 

কাস্টমার সার্ভিস

আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে অভিযোগ থাকলেও কাস্টমার অনেক সময় তারা আপনাকে কিছুই বলে না এবং তারা অন্য বিজনেসের দিকে ধাবিত হয়।কেনাকাটা পরবর্তী সময়ে তাদের আপনি এসএমএস দ্বারা প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তারা নিরাপদ বোধ করে এবং  তাদের সমস্যার সমাধান করে বিজনেসে তাদের ধরে রাখতে সক্ষম হন। 

আপডেট তথ্য সরবরাহ

কাস্টমারদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে বাড়িয়ে তুলতে নিয়মিতভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে তাদের সন্তুষ্টি অর্জনে এসএমএস মার্কেটিং চমৎকার।   

SMS মার্কেটিং কৌশল

কুপন অফার ও সেইম ডে শপিং

ইমেইল মার্কেটিং এর মতই কাস্টমারদের এসএমএস মার্কেটিং এর মাধ্যমে কুপন কোড অফার করতে পারেন। যে সকল কাস্টমার আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে জানেন ও ভালোবাসেন তারা কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নেবার সময় আপনাকে বেছে নিতে খুব বেশি ভাবেন না।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে ২০১৬ সালে ৮ মিলিয়ন ইউ এস কাস্টমার কেনাকাটায় সেলারদের দেয়া কুপন কোডে সাড়া দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এই ২০২১ সাল নাগাদ ১৪৫.৩ মিলিয়ন হবে। 

সেইম ডে শপিং নামে আরও একটি কৌশল ব্যবহার করে  প্রতিদিনের সেলের পরিমান বাড়াতে পারেন। কাস্টমারদের কুপন অফার করুন যেটি শুধু মাত্র সেই দিনেই কার্যকর হবে। যেমনটি করেছে Hudson’s Bay,

লিমিটেড সময়ে অর্ডারে অফার

বিজনেসের যত দ্রুত কাস্টমারদের অর্ডার কনফার্ম করতে প্রভাবিত করতে পারবেন তত ভালো।

কাস্টমার যদি একটি অ্যাড বা অফার পাবার পরে কিছু মুহূর্তে মধ্যে অর্ডার না করে তবে তাদের অর্ডার করার সম্ভবনা খুব কম থাকে।

যারা কেনাকাত করার সিদ্ধান্ত নেবার মুহূর্তে রয়েছে তাদের সীমিত সময়ের মধ্যে অর্ডার করাতে অফার দিলে তারা দ্রুত কেনাকাটা সম্পন্ন করে। 

হারিয়ে যাবার ভয় তাদের মধ্যে জেগে উঠে এসময় কারণ তারা সেই প্রোডাক্টটি কিনতে চায় এবং আপনি তাকে ভালো মূল্য অফার করছেন। 

Function of Beauty.একটি নামকরা পার্সোনাল কেয়ার প্রোডাক্ট সেলার, দেখুন তাদের এসএমএস মার্কেটিং এর একটি ক্যাম্পেইন।  

বিজনেস মাইলস্টোন উদযাপন

প্রতিটি অর্জন আনন্দের।  আপনার  বিজনেসের সেই আনন্দঘন সময়ে কাস্টমারদের সাথে উদযাপন করতে তাদের অফার দিতে পারেন।

কাস্টমার আপনার অর্জন সম্পর্কে জানতে পারবে।

এতে, আপনার বিজনেস সম্পর্কে কাস্টমারদের আস্থা ও পেশাদারিত্ব সম্পর্কে ইতিবাচক ধারনার জন্ম দেয়।

এটি কাস্টমারের সাথে একটি ব্র্যান্ডের সম্পর্ক বাড়িয়ে তোলে।

পারসোনালইজড এসএমএস

নিজের নাম পড়তে মানুষ ভালোবাসে। ৮০% কাস্টমার সেই ব্র্যান্ড থেকে কিনতে পছন্দ করে যারা তাদের স্বকীয় অভিজ্ঞতা প্রদান করে। তারা এই মার্কেটিং তথ্যকে মূল্যবান মনে করে কারণ আপনি তাকে সরাসরি লক্ষ্য করে বলছেন। ৭২% কাস্টমার এই তথ্যের সাথে সরাসরি এঙ্গেজ হয়। 

পরিশেষে,

৪০% কাস্টমার সেই বিজনেসের সাথে এঙ্গেজ হয় ও ক্রেতায় পরিনিত হয় যারা তাদের এসএমএস দ্বারা যুক্ত রেখেছে। এসএমএস মার্কেটিং এর খরচ কম, ওপেন রেট বেশি ও রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্ট ভালো তাই এই শক্তিশালী মার্কেটিং মাধ্যমটি আপনার বিজনেসের জন্য দুর্দান্ত ফলাফল বয়ে নিয়ে আসতে সক্ষম। না জানার কারনে অনেক সেলার এই মাধ্যমটিকে অবহেলা করেন যা তার বিজনেসের মার্কেটিং সফলতার জন্য একটি মারাক্তক ভুল সিদ্ধান্ত।   এই পোস্টটি শেয়ার করতে ক্লিক করুনঃ